ব্রেকিং: খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে বিভক্ত আদেশ ৫৮টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল যে কারণে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বিটিআরসি কোকোর স্ত্রীর আবদারেই মিলন বাদ! বিএনপির সঙ্গে নেই মনির খান চিকিৎসার জন্য রাতে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন এরশাদ মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাদের কাছে শেখ হাসিনার খোলা চিঠি মনোনয়ন না দেওয়ায় বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে ভাঙচুর ভিকারুননিসার নতুন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হাসিনা বেগম দ্বৈত আসনে আ.লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী যারা শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার মিকা সিং

কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় কমেছে ২.৯৬ শতাংশ

কৃষি কথা, ব্রেকিং | ২৮ পৌষ ১৪২৩ | Wednesday, January 11, 2017

full_1252185161_1484044386.jpgওয়ার্ল্ড নিউজ বিডি ডট কম,অর্থ ও বানিজ্য প্রতিনিধি,১১ জানুয়ারি :  ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসের তুলনায় আয় কমেছে ২ দশমিক ৯৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসের রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৫ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় ২ হাজার ৩৮ কোটি টাকা; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ কম। বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) নভেম্বর মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৯ কোটি ৬০ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ খাতে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে মাসে চা রপ্তানিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে এ খাতে আয় হয়েছে ১৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৫ দশমিক ৭১ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতের আয় ৩৩ দশমিক ০১ শতাংশ বেড়েছে; আগের অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে চা রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে সবজি রপ্তানিতে ৪ কোটি ২২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এ সময়ে আয় হয়েছে ৪ কোটি ১২ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। তবে আগের অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসের তুলনায় এ খাতের রপ্তানি আয় ২৫ দশমিক ০৭ শতাংশ বেড়েছে; ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সবজি রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ২৯ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে তামাকজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ১৭ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২০ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। তবে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতের আয় ১৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ কমেছে; ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তামাক ও তামাকজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে ফল রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৯৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে ফল রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১ কোটি ৭১ লাখ মার্কিন ডলার।

আলোচ্য সময়ে মসলা জাতীয় পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার। এ সময়ের মধ্যে এই খাতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ দশমিক ১৩ শতাংশ কম। তবে গত অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসের এ খাতের রপ্তানি আয়ের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসের আয় ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়েছে; ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মসলা জাতীয় পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১ কোটি ৪২ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে শুকনো খাবার রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৩০ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ কম। তবে আগের অর্থবছরের একই সময়ের আয়ের তুলনায় এ খাতের আয় ৩ দশমিক ৫১ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে শুকনো খাবার রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

এছাড়া অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১২ কোটি ৬৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১১ দশমিক ১৪ শতাংশ কম। তবে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ খাতের আয় ৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়েছে; ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১১ কোটি ৬৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার।