ব্রেকিং: সুবর্ণচরের সেই ধর্ষকের এক বছরের জামিন উন্নয়ন কাজে মানুষের যেন ক্ষতি না হয় : প্রধানমন্ত্রী ‘কারিগরি ত্রুটি’তে আজ বসছে না পদ্মা সেতুর নবম স্প্যান সুপ্রভাত ও জাবালে নুরের সকল বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা কুমিল্লায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১১ মামলার আসামি নিহত পরিবহনের লাইসেন্স দেখছেন শিক্ষার্থীরা ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন জাতির পিতার শততম জন্মদিন আজ ঢাকা-কলকাতা লঞ্চ সার্ভিস চালু হচ্ছে ২৯ মার্চ সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ ফেরাতে ডাকসু ভূমিকা রাখবে: প্রধানমন্ত্রী

মানিকগঞ্জ সরিষা ফুলের মধুতে মধুময়

কৃষি কথা, ব্রেকিং | ৩০ পৌষ ১৪২২ | Wednesday, January 13, 2016

honey1452648260.jpgওয়ার্ল্ড নিউজ বিডি ডট কম,মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি,১৩ জানুয়ারী : সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ দেশে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছে। দিন দিন এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। শীত মৌসুমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মৌ চাষিরা এসে ভিড় জমায় মানিকগঞ্জে।

মানিকগঞ্জের সর্বত্রই এখন হলুদের সমারোহ। শীতের আগমনে প্রকৃতি সেজেছে হলুদে। আর মৌ চাষিরা ব্যস্ত মধু সংগ্রহে। মৌ চাষকে পেশা হিসেবে নিয়ে অনেক পরিবার স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। সেই সঙ্গে উৎপাদনে সম্পৃক্ত থেকে জাতীয় উন্নয়নে তারা বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় চলতি বছর ৪০ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর থেকে অর্ধশতাধিক খামারি এসেছেন মানিকগঞ্জে। এসব খামারিরা জেলার বিভিন্ন এলাকায় দলে দলে বিভক্ত হয়ে মধু সংগ্রহের কাজ করছেন। মৌ চাষিরা ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত চালাবে মধু সংগ্রহের কাজ।

খুলনার মৌ চাষী ফয়সাল আহমেদ জানান, মধু সংগ্রহের কাজে তিনি ১০০ থেকে ২৫০টি বাক্স ব্যবহার করে থাকেন। প্রতিটি বাক্স থেকে মধু পাওয়া যায় ৩-৪ কেজি। এসব বাক্স থেকে সপ্তাহে এক দিন মধু সংগ্রহ করা হয়। প্রতি কেজি মধুর দাম ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। এ বছর মানিকগঞ্জ থেকে প্রায় এক কোটি টাকার মধু সংগৃহীত হবে।

এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আলীমুজ্জামান মিয়া ওয়ার্ল্ড নিউজ বিডি ডট কমকে জানান, সরিষা থেকে মধু সংগ্রহ করে খামারিদের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকরাও লাভবান হচ্ছেন। মৌমাছির পরাগায়নের ফলে এ বছর উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে ১৫ শতাংশ। জীবন ও জীবিকার তাগিদে মৌ চাষকে পেশা হিসেবে নিয়ে অনেক পরিবার স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। উৎপাদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে জাতীয় উন্নয়নে রাখছে বিশেষ ভূমিকা।